Friday, 13 January 2017

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে ২টি জাদুকরী পানীয়

নাক ডাকার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে খুব বেশি ক্ষতিকর মনে না হলেও এটি আসলে বেশ খারাপ একটি সমস্যা। এটিকে হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এছাড়া এই নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা নয় মোটেই। সমস্যাটি কীভাবে দূর করা যায় সে বিষয়ে ভাবতে হবে। ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
জানতে চান কীভাবে?

চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।
গাজর-আপেলের জুস :-

শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।
– ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।
– এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। – এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।
হলুদের চা :-
হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।
– ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।
– এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)। এবার আবার জ্বাল করতে থাকুন।
– যখন পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণে চলে আসবে তখন তা নামিয়ে ছেঁকে ফেলুন।
– এবার ১/২ চা চামচ মধু ও ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
– প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করে নেবেন। দেখবেন নাক ডাকার সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

Tuesday, 27 December 2016

Writer Anisul haque diet chart

আজ ২৮ ডিসেম্বর। আমার নো-কার্ব ডায়েটের তিন মাস পূর্ণ হলো। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে আমার ভাত রুটি আলু মিষ্টি না খাওয়ার অভিযান শুরু হয়েছে। ১২ কেজি ওজন কমেছে। আমি খাই শসা, টক দই, প্রচুর বাদাম, সবজি যেমন ফুলকপি লাউ শাক, মাছ এবং মাংস। কাচ্চি বিরিয়ানি থেকে মাংস তুলে নিয়ে খাই। মিষ্টি মুখে দিই না (যে কিনা রোজ অন্তত আধা কেজি মিষ্টি খেত‍‍!!) এই তিন মাসে ভাত খেয়েছি মাত্র একবেলা, ছিট রুটি একবেলা, আর চিতই পিঠা একটা। আমার সংযম দেখে আমি নিজেই মুগ্ধ। খিদে পেলে খাই শসা, বাদাম, কালো চিনি ছাড়া কফি কিংবা ডায়েট পেপসি। আমি ইনশাআল্লাহ এই অভিযান আরো দুই মাস করব। জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে ব্লাড প্রেসারের ওষুধ অর্ধেক করেছি। তাতেও হচ্ছে না। মনে হয় ওষুধ বন্ধ করে দিতে হবে। মাঝে মধ্যে ২০/২৫ মিনিট ঘরের মধ্যে সাইকেল চালাই। আমার বর্তমান ওজন বাসার মেশিনে ৭৩, অফিসেরটায় ৭৬। ২৭ সেপ্টেম্বর এই দুই মেশিন ওজন ৮৫ আর ৮৮ দেখিয়েছিল।
আমার দেখাদেখি অনেকেই এই ডায়েট ফলো করে ফল লাভ করছেন। সবচেয়ে ভয়ংকর করেছেন লেখক ও নিউজ২৪ টিভির সাংবাদিক আনোয়ার সাদী। ১০ দিনে ৭ কেজি কমিয়ে ফেলেছেন। এত দ্রুত কমানো নাকি উচিত না। তিনি খান বাদাম, দুধ আর মাছ। রোজ এক ঘণ্টা এক্সারসাইজ করেন। ধীরে, সাদী, ধীরে।
আমার এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হলে চাল আটার দাম কমে যাবে।

Monday, 9 November 2015

মানুষ কেন বেশি মোটা হয়?

বেশি খেলে মানুষ বেশি মোটা হয়—কথাটা ঠিক নয়। বেশি বেশি খাবার আর কম দৌড়াদৌড়ি বা ব্যায়াম করাটাই বেশি মোটা হওয়ার একমাত্র কারণ বলে মনে করেন অনেকে। তবে অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা বলছেন, মোটা হওয়ার পেছনে আরও কারণ আছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে চাকরি।
গবেষকেরা বলছেন, বসে বসে কাজ করার জীবনধারায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে এবং কর্মক্ষেত্রে নানাবিধ চাপের মুখে যখন দীর্ঘ সময় ধরে কোনো কর্মীকে কাজ করে যেতে হয়, তখন তার ওজন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। গবেষকেরা বলছেন, বিশ্বের ১৯০ কোটিরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওজন বেশি। এদের মধ্যে ৬০ কোটি মানুষ স্থূলকায় হয়ে গেছে।
‘সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত গবেষণাবিষয়ক নিবন্ধটি।
কী কারণে মানুষের ওজন বাড়ে, তা খুঁজে বের করতে অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা ৪৫০ জন মধ্য বয়স্ক ব্যক্তির তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। এঁদের মধ্যে ২৩০ জন নারী ও ২২০ জন পুরুষ। গবেষণায় যাঁদের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সব ধরনের কর্মী রয়েছেন। গবেষকেরা এতে অংশ নেওয়া কর্মীদের উচ্চতা, ওজন ও কোমরের মাপ নেন এবং টেলিফোনে তাঁদের কাজ সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করেন। গবেষণায় কর্মীদের মানসিক চাপের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

অসুস্থ হলেও কর্মী ছুটি নেন না কেন?

অনেকেই ছুটি না নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় অফিস বা কর্মক্ষেত্রে নিজের কাজ চালিয়ে যান। চিকিৎসকেরা বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিলেও তাঁরা শোনেন না। অসুস্থ বোধ করলেও কাজ চালিয়ে যান। চাকরির অতি চাহিদা, মানসিক চাপ আর চাকরির অনিশ্চয়তাই এর মূল কারণ। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।
অসুস্থ অবস্থায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার এ বিষয়টিকে বলা হয় ‘প্রেজেন্টিজম’। গবেষণার লক্ষ্য ছিল প্রেজেন্টিজম কী কারণে ঘটে, তার মূল বিষয়গুলো খুঁজে দেখা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন করা। গবেষণাসংক্রান্ত এই নিবন্ধ ‘অকুপেশনাল হেলথ সাইকোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণা নিবন্ধের মূল লেখক যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট অ্যাংলিয়ার প্রভাষক ম্যারিয়েলা মিরাগ্লিয়া বলেন, ‘প্রেজেন্টিজম’ শুধু চিকিৎসাবিদ্যা শর্ত থেকে তৈরি হয় না, বরং কাজ ও ব্যক্তিগত অনেক বিষয় এতে যুক্ত থাকে। অসুস্থ অবস্থায় কাজ করলে সেই কাজের প্রতি নেতিবাচক ধারণা এবং কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে থাকে। কাজে অনুপস্থিত থাকার ফল বিবেচনা করে অসুস্থ অবস্থায় অনেকে অফিসে চলে আসেন এবং কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিজের দায়িত্বশীলতা দেখাতে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি অর্জনে এ কাজ করেন তাঁরা।
প্রেজেন্টিজমের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে কর্মীর ওপর নজরদারিতে প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতার নীতিমালা বা কর্মীর অনুপস্থিতির হার কমানো। এর মধ্যে শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা গ্রহণ, চাকরির অনিশ্চয়তা, অসুস্থাজনিত ছুটির কারণে অর্থ কাটার ভীতি বা মেডিকেল সনদ ছাড়া বেশি ছুটির অনুমতি না দেওয়ার সঙ্গে প্রেজেন্টিজমের সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষকেরা নতুন এই গবেষণা চালাতে ৩৪টি দেশের ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬০ জন কর্মীর ওপর চালানো ৬১টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, চাকরির চাহিদা, কাজের চাপ, কর্মী সংখ্যার স্বল্পতা, অতিরিক্ত সময় কাজ, সময়ের চাপ, নিজস্ব আর্থিক সমস্যাগুলো বিবেচনা করে অনেকে ছুটি নেন না। যাঁদের কর্মপরিবেশ ভালো, অসুস্থ হলে অফিসে যাওয়ার চাপ কম থাকে, চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট, তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
মিরাগ্লিয়া বলেন, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকদের বুঝতে হবে, কী কারণে প্রেজেন্টিজম ঘটে এবং কীভাবে কর্মীদের স্বাস্থ্য ঠিক রেখে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। এ জন্য সযত্নে উপস্থিতির নিয়মাবলির বিষয়টি রিভিউ করা উচিত যাতে প্রেজেন্টিজমের বিনিময়ে অ্যাবসেন্টিজিম কমানো যায়।

Thursday, 4 September 2014

7 suggestions to avoid insomnia (sleeplessness)

Sleeplessness for three days a week or more, repeatedly broken sleep, sleep problems, and little time to sleep, after waking up, nausea, fatigue, irritability, etc is insomnia symptoms throughout the day. Neurohormonal brain asymmetry leading cause insomnia. These issues can reduce performance, intelligence and attention. It may cause physical harm. Example: Over weight, immune power loss, diabetes, high blood pressure and the risk of heart disease.

Because
1. Emotional stress, anxiety, depression, trauma situation.  

2. Environments, such as sleep disturbance: excessive noise, lighting, hot or cold.
3. Sleeping rule changes
which melatonin brain hormone can not emit.
4. In the evening, smoking, excessive caffeine or alcohol enjoying.
5. As seen on TV before going to sleep, play video games.
6. Long-term physical illness, such as arthritis, cancer, heart disease, lung, gastric, thyroid problems.

Advice
1. To sleep at the same time every day to practice. Wake up on the same time including weekend.  

2. Use the bedroom for sleeping rooms only. That there is no an extra sound or light.
3. Bathing in warm water before going to sleep. Reading books, gentle music, worship or Yoga can help to sleep. Do not see the clock often.
4. Do not try to force sleep. When we can not sleep within in 20 minutes, get up and go to another room,
read anything before the sleep come up to .
5. Do not take more than 30 minutes rest. It may happen before three o'clock.
6. Avoid
heavy work, exercise, and alcohol, coffee, smoking before  four to six hours of the sleep.
7. Take
diner before two hours of sleep. And a glass of milk can eat when hungry. 

Dr. Nazmul Kabir Qureshi
Department of Medicine, United Hospitals.
Source: Daily Prothom Alo, May, September, 013