অনেকেই ছুটি না নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় অফিস বা কর্মক্ষেত্রে নিজের কাজ
চালিয়ে যান। চিকিৎসকেরা বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিলেও তাঁরা শোনেন না।
অসুস্থ বোধ করলেও কাজ চালিয়ে যান। চাকরির অতি চাহিদা, মানসিক চাপ আর
চাকরির অনিশ্চয়তাই এর মূল কারণ। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।
অসুস্থ অবস্থায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার এ বিষয়টিকে বলা হয় ‘প্রেজেন্টিজম’। গবেষণার লক্ষ্য ছিল প্রেজেন্টিজম কী কারণে ঘটে, তার মূল বিষয়গুলো খুঁজে দেখা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন করা। গবেষণাসংক্রান্ত এই নিবন্ধ ‘অকুপেশনাল হেলথ সাইকোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণা নিবন্ধের মূল লেখক যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট অ্যাংলিয়ার প্রভাষক ম্যারিয়েলা মিরাগ্লিয়া বলেন, ‘প্রেজেন্টিজম’ শুধু চিকিৎসাবিদ্যা শর্ত থেকে তৈরি হয় না, বরং কাজ ও ব্যক্তিগত অনেক বিষয় এতে যুক্ত থাকে। অসুস্থ অবস্থায় কাজ করলে সেই কাজের প্রতি নেতিবাচক ধারণা এবং কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে থাকে। কাজে অনুপস্থিত থাকার ফল বিবেচনা করে অসুস্থ অবস্থায় অনেকে অফিসে চলে আসেন এবং কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিজের দায়িত্বশীলতা দেখাতে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি অর্জনে এ কাজ করেন তাঁরা।
প্রেজেন্টিজমের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে কর্মীর ওপর নজরদারিতে প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতার নীতিমালা বা কর্মীর অনুপস্থিতির হার কমানো। এর মধ্যে শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা গ্রহণ, চাকরির অনিশ্চয়তা, অসুস্থাজনিত ছুটির কারণে অর্থ কাটার ভীতি বা মেডিকেল সনদ ছাড়া বেশি ছুটির অনুমতি না দেওয়ার সঙ্গে প্রেজেন্টিজমের সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষকেরা নতুন এই গবেষণা চালাতে ৩৪টি দেশের ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬০ জন কর্মীর ওপর চালানো ৬১টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, চাকরির চাহিদা, কাজের চাপ, কর্মী সংখ্যার স্বল্পতা, অতিরিক্ত সময় কাজ, সময়ের চাপ, নিজস্ব আর্থিক সমস্যাগুলো বিবেচনা করে অনেকে ছুটি নেন না। যাঁদের কর্মপরিবেশ ভালো, অসুস্থ হলে অফিসে যাওয়ার চাপ কম থাকে, চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট, তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
মিরাগ্লিয়া বলেন, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকদের বুঝতে হবে, কী কারণে প্রেজেন্টিজম ঘটে এবং কীভাবে কর্মীদের স্বাস্থ্য ঠিক রেখে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। এ জন্য সযত্নে উপস্থিতির নিয়মাবলির বিষয়টি রিভিউ করা উচিত যাতে প্রেজেন্টিজমের বিনিময়ে অ্যাবসেন্টিজিম কমানো যায়।
অসুস্থ অবস্থায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার এ বিষয়টিকে বলা হয় ‘প্রেজেন্টিজম’। গবেষণার লক্ষ্য ছিল প্রেজেন্টিজম কী কারণে ঘটে, তার মূল বিষয়গুলো খুঁজে দেখা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন করা। গবেষণাসংক্রান্ত এই নিবন্ধ ‘অকুপেশনাল হেলথ সাইকোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণা নিবন্ধের মূল লেখক যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট অ্যাংলিয়ার প্রভাষক ম্যারিয়েলা মিরাগ্লিয়া বলেন, ‘প্রেজেন্টিজম’ শুধু চিকিৎসাবিদ্যা শর্ত থেকে তৈরি হয় না, বরং কাজ ও ব্যক্তিগত অনেক বিষয় এতে যুক্ত থাকে। অসুস্থ অবস্থায় কাজ করলে সেই কাজের প্রতি নেতিবাচক ধারণা এবং কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে থাকে। কাজে অনুপস্থিত থাকার ফল বিবেচনা করে অসুস্থ অবস্থায় অনেকে অফিসে চলে আসেন এবং কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিজের দায়িত্বশীলতা দেখাতে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি অর্জনে এ কাজ করেন তাঁরা।
প্রেজেন্টিজমের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে কর্মীর ওপর নজরদারিতে প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতার নীতিমালা বা কর্মীর অনুপস্থিতির হার কমানো। এর মধ্যে শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা গ্রহণ, চাকরির অনিশ্চয়তা, অসুস্থাজনিত ছুটির কারণে অর্থ কাটার ভীতি বা মেডিকেল সনদ ছাড়া বেশি ছুটির অনুমতি না দেওয়ার সঙ্গে প্রেজেন্টিজমের সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষকেরা নতুন এই গবেষণা চালাতে ৩৪টি দেশের ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬০ জন কর্মীর ওপর চালানো ৬১টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, চাকরির চাহিদা, কাজের চাপ, কর্মী সংখ্যার স্বল্পতা, অতিরিক্ত সময় কাজ, সময়ের চাপ, নিজস্ব আর্থিক সমস্যাগুলো বিবেচনা করে অনেকে ছুটি নেন না। যাঁদের কর্মপরিবেশ ভালো, অসুস্থ হলে অফিসে যাওয়ার চাপ কম থাকে, চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট, তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
মিরাগ্লিয়া বলেন, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকদের বুঝতে হবে, কী কারণে প্রেজেন্টিজম ঘটে এবং কীভাবে কর্মীদের স্বাস্থ্য ঠিক রেখে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। এ জন্য সযত্নে উপস্থিতির নিয়মাবলির বিষয়টি রিভিউ করা উচিত যাতে প্রেজেন্টিজমের বিনিময়ে অ্যাবসেন্টিজিম কমানো যায়।
No comments:
Post a Comment