আজ ২৮ ডিসেম্বর। আমার নো-কার্ব ডায়েটের তিন মাস পূর্ণ হলো। ২৮ সেপ্টেম্বর
থেকে আমার ভাত রুটি আলু মিষ্টি না খাওয়ার অভিযান শুরু হয়েছে। ১২ কেজি ওজন
কমেছে। আমি খাই শসা, টক দই, প্রচুর বাদাম, সবজি যেমন ফুলকপি লাউ শাক, মাছ
এবং মাংস। কাচ্চি বিরিয়ানি থেকে মাংস তুলে নিয়ে খাই। মিষ্টি মুখে দিই না
(যে কিনা রোজ অন্তত আধা কেজি মিষ্টি খেত!!) এই তিন মাসে ভাত খেয়েছি
মাত্র একবেলা, ছিট রুটি একবেলা, আর চিতই পিঠা একটা। আমার সংযম দেখে আমি
নিজেই মুগ্ধ। খিদে পেলে খাই শসা, বাদাম, কালো চিনি ছাড়া কফি
কিংবা ডায়েট পেপসি। আমি ইনশাআল্লাহ এই অভিযান আরো দুই মাস করব। জানুয়ারি
আর ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে ব্লাড প্রেসারের ওষুধ অর্ধেক করেছি। তাতেও হচ্ছে
না। মনে হয় ওষুধ বন্ধ করে দিতে হবে। মাঝে মধ্যে ২০/২৫ মিনিট ঘরের মধ্যে
সাইকেল চালাই। আমার বর্তমান ওজন বাসার মেশিনে ৭৩, অফিসেরটায় ৭৬। ২৭
সেপ্টেম্বর এই দুই মেশিন ওজন ৮৫ আর ৮৮ দেখিয়েছিল।
আমার দেখাদেখি অনেকেই এই ডায়েট ফলো করে ফল লাভ করছেন। সবচেয়ে ভয়ংকর করেছেন লেখক ও নিউজ২৪ টিভির সাংবাদিক আনোয়ার সাদী। ১০ দিনে ৭ কেজি কমিয়ে ফেলেছেন। এত দ্রুত কমানো নাকি উচিত না। তিনি খান বাদাম, দুধ আর মাছ। রোজ এক ঘণ্টা এক্সারসাইজ করেন। ধীরে, সাদী, ধীরে।
আমার এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হলে চাল আটার দাম কমে যাবে।
আমার দেখাদেখি অনেকেই এই ডায়েট ফলো করে ফল লাভ করছেন। সবচেয়ে ভয়ংকর করেছেন লেখক ও নিউজ২৪ টিভির সাংবাদিক আনোয়ার সাদী। ১০ দিনে ৭ কেজি কমিয়ে ফেলেছেন। এত দ্রুত কমানো নাকি উচিত না। তিনি খান বাদাম, দুধ আর মাছ। রোজ এক ঘণ্টা এক্সারসাইজ করেন। ধীরে, সাদী, ধীরে।
আমার এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হলে চাল আটার দাম কমে যাবে।
No comments:
Post a Comment